আব্বা বলতেন , A perfect holiday starts with gardening, continues with prayer and ends with a deep sleep. আমার ছোট বেলায় আব্বা যখন Narinda Govt. High School এর শিক্ষক , তখন শুধুমাত্র শুক্রবার ছুটি পেতেন আর আমি আব্বাকে সপ্তাহে ওই একদিন কাছে পেতাম । পুরো সপ্তাহ আমি আব্বার এই একটা দিনের জন্য অপেক্ষায় থাকতাম । যদিও আব্বা বৃহ:স্পতিবারে আসতেন ঢাকা থেকে বিকেলের মধ্যে । আমাদের স্কুল হাফ থাকত তাই স্কুল থেকে বাড়িতে এসেই আব্বার অপেক্ষা । শুক্রবার সকালে আব্বা নিয়ে যেতেন দাদা-দাদির কবর জিয়ারতে । সেখান থেকে বাড়িতে এসে বাগান বাড়িতে শাকসবজি আর ফল ফুলের গাছের পরিচর্যা করতাম । এই পরিচর্যার ফাকে আম্মা চা বিস্কিট আর শরবত খাওয়াতেন । দুপুরে একসাথে পুকুরে গোসল করে জুম্মার নামাজ শেষে একসাথে খেয়ে আব্বাকে জড়িয়ে ধরে ঘুম । আহা সেকি ঘুম বাবার বুকের মাঝে!! বিকেলে খেলাধুলা করে এসে সন্ধায় আব্বার সামনে পড়তে বসা । অন্য সবাই আব্বার সামনে পড়তে বসতে ভয় পেত কিন্তু আমি আব্বার কাছে পড়তাম । খুব মেজাজি ছিলেন কিন্তু আমার জন্য আব্বার আলাদা একটা টান ছিল সবসময় । সেটা আম্মা মারা যাবার পর খুব বেশি উপলব...
আমাদের কলেজ লাইফের দিনগুলাতে ক্যাটরিনা কাইফ মানেই ছিল এক উন্মাদনা। সুন্দরী,শুশ্রী, অসাধারন ফিগার আর নাচের ঝংকার তোলা সুন্দরী নায়িকা ক্যাটরিনা। সেইসব দিনে আমাদের রক্ত গরম করার এক মাদকতা ছিল ক্যাটরিনার মাঝে। এমনিতেই আমরা, এদেশের বা এশীয়া অঞ্চলের লোকেরা বিলাতী সব কিছুকেই অনবদ্য বা উপরের শ্রেনীর মনে করি, যেহেতু একসময়ে আমরা তাদের গোলাম ছিলাম! ক্যাটরিনা মুল ভারতীয় ছিলনা আর বিলেতি বিলেতি একটা ভাব ছিল তার চেহারায় তাই আমরা তার উপর ফিদা একটু বেশিই ছিলাম। দুস্টু হাসির আর চিকন ফিগার মিলিয়ে নাচের ছন্দে আমরা সবাই ক্যাটরিনা তে মুগ্ধ ছিলাম। একসময়ে ভাবতাম প্রিয় সালমান খানই ক্যাটরিনাকে বিয়ে করবে। পুরো ভারতবর্ষের কোন পুরুষের বাহুলগ্না হিসেবে যদি ক্যাটরিনা কে মানায় তাইলে সেটা শুধুই সালমান (যদিও মনের কোনে উকি দিত, ইস যদি...)। আমাদের খুব প্রিয় হুমায়ুন কবির স্যার আমাদের কে Probability পড়াতে গিয়ে উদাহরণ স্বরুপ বলেছিলেন, ধর, নায়িকা ক্যাটরিনা অবিবাহিত আর তুই ও সেইম, তাইলে ক্যাটরিনার সাথে বিয়ে হবার একটা চান্স কিন্তু তরও আছে। সেটা অতি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র হলেও একটা ক্ষীন সম্ভাবনা বিদ্যমান। আর এই যে ক্ষুদ্র সম্ভ...