আজ ২৯ এপ্রিল। আমার হলুদিয়া পাখির(পরলোকগত বউ) জন্মদিন। আবার আজ জুম্মাতুল বি'দা। ২০২০ সালের জুম্মাতুল বি'দার দিনে দুপুর সোয়া তিনটায় সে আমাদের ছেড়ে অনন্তের পানে রওনা দিয়েছিলো।চলে যাবার ১০/১৫ মিনিট আগেও স্বাভাবিক কথাবার্তা হয়েছিলো তার সাথে। সেই ছোট বেলায়, শীত চলে যাবার পর যখন বসন্ত আসতো, তখন আমাদের চারপাশে ঝিমিয়ে পরা গাছের ডালে নতুন সবুজ পাতার সাথে কুকিলের কুহুতান আর হলদে পাখির আনাগোনা দেখা যেতো। আমরা কুকিলের ডাকের রিপ্লাই দিয়ে তাকে রাগিয়ে দিতাম আর একসময়ে বিরক্ত হয়ে সে পালিয়ে যেতো। তখন আমরা দল বেধে বনে বাদাড়ে ঘুড়ে বেড়াতাম হলুদিয়া পাখির খোজে! হলুদিয়া পাখি চুপিসারে গাছের ডালে বসে থাকতো। খুব একটা ডাকাডাকি করতোনা। আমরা গুলতি নিয়ে হলুদিয়া পাখি শিকার করার জন্যে পাগল থাকতাম। কারন একটা মরা হলুদিয়া পাখি কবিরাজদের কাছে ২০/২৫ টাকায় বেচতে পারতাম। কবিরাজেরা হলুদিয়া পাখি দিয়ে জন্ডিসের ঔষধ বানাতো।আর কোন রকমে একটা পাখি বেচতে পারলে আমাদের ক্রিকেট খেলার একটা টেনিস বল আর একটা কসটেপ কিনতে পারতাম। তখনকার দিনে একটা হ্লুদিয়া পাখি মানেই আমাদের খেলার জন্যে একটা 'টেপ-টেনিস' বল। খুবই আকাংখিত ছিলো ত...
আমাদের প্রেম, লড়াই, সংসার সবকিছুর মাঝে কেটে যাওয়া একযুগের জীবন কাব্য। সে চলে যাবার পর তাকে স্বরনে রাখার, তার স্মৃতীর মাঝে ডুবে থাকার প্রয়াস।